স্পেনে বাংলাদেশি করোনা আক্রান্তদের সন্ধান চেয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস

স্পেনে আটজন বাংলাদেশি নাগরিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর দিয়েছেন সেখানকার কমিউনিটি নেতারা।

একইসঙ্গে এমন খবর স্পেনের গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে। তবে তাদের নাম-ঠিকানা জানতে পারেনি মাদ্রিদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। সে কারণে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত সন্ধান চেয়েছে মাদ্রিদের দূতাবাস।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, স্পেনে আট বাংলাদেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে বাংলাদেশের কমিউনিটির নেতারা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্পেনের গণমাধ্যমে খবরও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তাদের বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছি। আক্রান্ত হয়েছে, এখন এমন বাংলাদেশির তথ্য আমরা পাইনি।

দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করলে মিশন উপপ্রধান এম হারুণ আল রাশিদ বলেন, মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছ, বাংলাদেশি কমিউনিটির বেশ কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন যে, এখানে আমাদের মধ্যে ৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা সংবাদপত্রেও একই খবর দেখেছি।

এ সম্পর্কে আমরা আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যাইহোক, আমাদের বলা হয়েছে যে, আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের পরিচয় গোপন রাখতে চান এবং তারা তাদের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক। তাই তাদের কারো নাম আমাদের কাছে প্রকাশ করা হয়নি। আমরা ইতিমধ্যে এখানে বাংলাদেশিদের জন্য হটলাইন সেবা (+৩৪৬৭১১৯৬৯৯২) চালু করেছি। এর মাধ্যমে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কেউ আক্রান্ত হলে আমাদের কাছে তথ্য পৌঁছে যাবে।

এখন পর্যন্ত এ হটলাইনে কেউ কোনো তথ্য দেয়নি। আমরা আক্রান্ত বাংলাদেশি ও তার আত্মীয়দের অনুরোধ করছি যাতে তারা আমাদের সঙ্গে ওই হটলাইন নাম্বার ব্যবহার করে যোগাযোগ করেন।

এছাড়া, ফেসবুকে আমরা পূর্ব সতর্কতামূলক সব নোটিশ প্রচার করে যাচ্ছি। স্পেনে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ। এর মধ্যে সব থেকে ভয়াবহ অবস্থা রাজধানী মাদ্রিদের। এমন অবস্থায় আমরা সব বাংলাদেশিদের আহবান জানাচ্ছি যাতে তারা করোনা মোকাবেলায় স্পেন সরকার ঘোষিত নির্দেশিকা অনুসরণ করে চলেন। আমরা সবার সুরক্ষা কামনা করছি।

প্রসঙ্গত, স্পেনে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘জরুরি রাষ্ট্রীয় সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। ইউরোপে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে স্পেনের অবস্থান দ্বিতীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *